দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকা তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আনুষ্ঠানিক তোড়জোড় শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০২৪ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে দেশ ছাড়ার পর আর ফেরা হয়নি সাকিবের। আগামী মে মাসে তার দেশে ফেরা নিশ্চিত করতে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো নিষ্পত্তির বিষয়ে সহযোগিতা চেয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে বিসিবি।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় দলের স্বার্থে সাকিবকে অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ। বিসিবির তৃতীয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সাকিবের আইনি জটিলতা নিরসনে কাজ করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হলেও তখন কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। তবে গতকাল মঙ্গলবার বিসিবি থেকে পুনরায় মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা বিসিবির চিঠি হাতে পেয়েছেন এবং সাকিবের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই। তবে তিনি উল্লেখ করেন, সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির জন্য বিসিবি এবং সাকিবের ব্যক্তিগত আইনজীবীদেরই মূল পদক্ষেপ নিতে হবে। মন্ত্রণালয় তাদের জায়গা থেকে যেসব ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে, তা প্রদান করবে বলে আশ্বস্ত করেছে। সাকিব আল হাসান বর্তমানে দেশের বাইরে থাকলেও দেশে ফেরার বিষয়ে তিনিও অবগত এবং উন্মুখ হয়ে আছেন বলে জানা গেছে।
টিএইচএ/
