জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে ২৪ জন কলেজপর্যায়ের শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে তাদের এমপিও সুবিধা বাতিল, নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত আদায় এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) মাউশির ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত আদেশ প্রকাশ করা হয়। যদিও আদেশে সই করা হয়েছে শনিবার (২৩ মে)। এতে স্বাক্ষর করেন মাউশির বেসরকারি কলেজ শাখা-৩-এর সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন।
আদেশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে জাল বা ভুয়া সনদধারী ৮৫ জন শিক্ষকের তালিকা পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যাচাই শেষে তাদের প্রত্যয়নপত্র জাল বলে প্রমাণিত হয়।
তালিকাভুক্তদের মধ্যে কলেজপর্যায়ের শিক্ষক ২৪ জন এবং স্কুলপর্যায়ের শিক্ষক ৬১ জন রয়েছেন।
মাউশির আদেশে আরও বলা হয়েছে, জাল প্রত্যয়নপত্রধারীদের এমপিও বাতিলসহ গৃহীত বেতন-ভাতা ফেরত আদায় এবং মামলা দায়েরের মতো প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন তাদের এমপিও বাতিল বা স্থগিত করা হবে না এবং কেন গভর্নিং বডি তাদের নিয়োগ বাতিল করবে না।
নোটিশ পাওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাউশিতে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এনআর/
