সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকে কোন কোন দল অংশ নেবে বা আলোচ্যসূচি কী হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধী দলগুলোর বাইরে বিএনপির নেতৃত্বে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের এ বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সূত্রগুলোর মতে, সরকার গঠনের পর শরিকদের সঙ্গে এটিই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়; বরং জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় জোরদার এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনে চারটি জোটসহ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে ৪২টি রাজনৈতিক দল সক্রিয় ছিল। নির্বাচনে বিএনপি শরিকদের জন্য ১৬টি আসন ছেড়ে দেয়। সরকার গঠনের পর শরিকদের মধ্য থেকে দুজন নেতা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও অধিকাংশ দল এখনো সরকার কিংবা বিভিন্ন সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে প্রত্যাশিত প্রতিনিধিত্ব পায়নি বলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের অভিযোগ।
জোটসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নির্বাচনের আগে শরিক দলগুলোর প্রতি দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে শরিকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে যমুনায় এই বৈঠক ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক বিষয় এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হতে পারে।
