ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, পাটনা, কলকাতার মতো শহরগুলোতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই সুর নরম করেছে নরেন্দ্র মোদির কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। তারা এখন আন্দোলনকারীদের ‘সুবিধাজনক যেকোনও সময়ে’ আলোচনায় রাজি।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, বুধবার থেকেই আলোচনার জন্য চারটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে সরকার। তবে আন্দোলনরত গোষ্ঠীগুলো আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ‘যন্তর মন্তর’ কিংবা অন্য কোনও নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার দাবি জানিয়ে আসছে।
জিতেন্দ্র সিং বলেন, “বুধবার দুপুর থেকে সরকার তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য চারটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে। সরকার আপনাদের সুবিধামতো যেকোনও সময় সব বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।”
মন্ত্রী জানান, আলোচনার সময় তার সঙ্গে সহকর্মী মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও উপস্থিত থাকবেন।
সিং আরও যোগ করেন, “আলোচনা জেপি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবনে হতে পারে। আমরা অহমিকা বা মর্যাদার লড়াইয়ে বিশ্বাসী নই। আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং আমি উভয়েই উপস্থিত থাকব। ধীরে ধীরে আলোচনার মাধ্যমে আমরা একটি সমাধানের দিকে এগিয়ে যাব। এটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষপেরই একটি অংশ। আমি আপনাদের সকলকে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন এবং আলোচনায় বসুন।”
এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি বা অফিসে নয়, বরং যন্তর মন্তরে কিংবা কোনও নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠকে বসবে তারা। সূত্র: এনডিটিভি
