হজ পালনের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে সৌদি আরবের মক্কার পথে যাত্রা করেছেন নাটোরের দুলাল ভাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, তাকে বিমানে হজে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ না করে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তার এই যাত্রার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তার উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন দেশের সীমান্ত অতিক্রমের ক্ষেত্রে সাধারণত পাসপোর্টের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা ও প্রবেশের অনুমতির প্রয়োজন হয়। একইভাবে সৌদি আরবে হজ পালনের জন্যও নির্ধারিত হজ ভিসা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দুলাল ভাইয়ের কাছে পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কিছু কাগজপত্র রয়েছে। তবে কোন কোন দেশের জন্য তার প্রয়োজনীয় ভিসা বা প্রবেশের অনুমতি রয়েছে এবং পুরো যাত্রাপথে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, তাকে বিমানে হজে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ওই উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে দ্রুত সৌদি আরবে পৌঁছে হজ পালনের সুযোগের কথা জানানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। তবে দুলাল ভাই পায়ে হেঁটে যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অটল থাকেন।
বর্তমানে তিনি সীমান্তবর্তী এলাকায় পৌঁছেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়েছে। সামনে আন্তর্জাতিক সীমান্ত, ইমিগ্রেশন ও সংশ্লিষ্ট দেশের প্রবেশ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। ফলে তার পরবর্তী যাত্রা কীভাবে এগোয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
দুলাল ভাইয়ের হজ পালনের ইচ্ছা ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়। তবে পায়ে হেঁটে একাধিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি আরবে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইন, ভিসা ও ইমিগ্রেশন বিধিমালা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
তার যাত্রার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা তথ্য প্রচার হলেও, ভিসা ও অন্যান্য সরকারি অনুমোদনের প্রকৃত অবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা দুলাল ভাইয়ের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
