যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জনগণের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে বলেছেন, “গাজার মানুষ নিরাপদে থাকুক, আমি এটাই চাই।”তিনি বলেন, “তারা সত্যিই নরকের ভেতর দিয়ে গেছে।”
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প, যা বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়।
একজন সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি এখনও চান যে যুক্তরাষ্ট্র গাজা নিয়ন্ত্রণ করুক? এর উত্তরে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো গাজার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প প্রথমবার গাজা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রস্তাব দেন, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। তখন বহু মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই প্রস্তাবকে ‘বিতর্কিত’ এবং ‘দখলদার মনোভাব’ বলে সমালোচনা করেন।
তবে ট্রাম্প সময়-সময় একই প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি গাজার মানুষের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে করা।
সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প আরও জানান, “আমি আশা করি, আগামী সপ্তাহেই গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি হতে পারে।”তিনি বলেন, এ নিয়ে তিনি ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ এই অভিযানকে “গণহত্যা” হিসেবে বর্ণনা করছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চলমান হামলায় ইতোমধ্যে ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক মন্তব্যকে অনেকেই ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখলেও, গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বা মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে তাঁর প্রশাসনের স্পষ্ট পদক্ষেপের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে বিশ্ব।
এনএ/
