কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু, মহিষ আসতে শুরু করেছে। তবে এখনও পশু বিক্রি জমে ওঠেনি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণের পশু ওঠেনি। মূলত বাঁশ-খুঁটি বসানোর কাজই চলছে। গরুদের খাবার দেওয়া আর বিশ্রামেই সময় পার করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিক্রেতারা।
মঙ্গলবার কুষ্টিয়া থেকে দুইটি গরু নিয়ে এসেছেন রমিজ উদ্দিন নামের এক গরু বিক্রেতা। তিনি বলেন, আমি দুইটা গরু নিয়ে এসেছি৷ ১০ লাখ টাকা দাম চাচ্ছি। কেউ কেউ দাম বলছে। নেওয়ার মতো এখনেও ক্রেতা আসেনি।
বিক্রেতারা বলছেন, এখন যারা হাটে আসছেন তারা মূলত বাজার পরিস্থিতি ও দামের ধারণা নিচ্ছেন।
কুষ্টিয়া থেকে গরু নিয়ে আসা আরেক গরু বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, সকালে ২৬টি গরু এনেছি৷ আরও ৭৯টি আসবে। গরু তো আসা শুরু হচ্ছে। কিন্তু এখনো সেই ভিড় শুরু হয়নি। গরু আসলে কাস্টমার আসবেই।
অন্য একজন বিক্রেতা জানান, খাবার ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে ক্রেতারা এখনো অপেক্ষার মধ্যে রয়েছেন। তাদের ধারণা, ঈদের আগ মুহূর্তে দাম কিছুটা কমতে পারে।
মেহেরপুর সদর উপজেলার মেহেরপুর এগ্রোর হিরা ব্যাপারী জানান, বর্তমানে তার খামারে ২৬টি গরু হাটে রয়েছে। কোরবানিকে সামনে রেখে আরও ৮০টি গরু আনার প্রস্তুতি চলছে। বাজারে চাহিদা বাড়ার আশায় ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করছেন এই বিক্রেতা।
এনআর/
