আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: হাইতিতে সশস্ত্র গ্যাং দমনে গঠিত নতুন আন্তর্জাতিক ‘গ্যাং’ দমন বাহিনী (জিএসএফ)-এ শ্রীলঙ্কার একটি দল যোগ দিয়েছে জানিয়েছে জাতিসংঘে। জাতিসংঘ-সমর্থিত এই বাহিনীর এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন ।
ওই মুখপাত্র বৃহস্পতিবার এএফপিকে বলেন, ‘একটি শ্রীলঙ্কান দল গত রাতে পোর্ট-অ-প্রিন্সে পৌঁছেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে আমরা সদস্যসংখ্যা প্রকাশ করছি না।’
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মুখপাত্র জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও সদস্য এই বাহিনীতে যোগ দেবেন। ধাপে ধাপে এই বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ জন ইউনিফর্মধারী সদস্য (পুলিশ ও সেনাসদস্য) এবং ৫০ জন বেসামরিক কর্মী’ নিয়ে গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো হাইতির জাতীয় পুলিশকে সহায়তা করা এবং দেশটির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সশস্ত্র গ্যাংগুলোকে দমন করা।
এছাড়া কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দেশে জননিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতেও বাহিনীটি কাজ করবে।
আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর একটি হাইতি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতায় ভুগছে। দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র গ্যাংগুলো হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অপহরণের মতো অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার টুর্ক গত মাসে জানিয়েছিলেন, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে গ্যাং সহিংসতায় অন্তত ‘২ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১ হাজার ১০০ জন আহত হয়েছেন। তিনি নতুন এই বাহিনীকে ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলে উল্লেখ করেন।
নিরাপত্তাহীনতার কারণে হাইতিতে ২০১৬ সালের পর আর কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
জাতিসংঘের ২০২৬ সালের হাইতি মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার জন্য ৮৮ কোটি ডলার প্রয়োজন হলেও এখন পর্যন্ত এর এক-চতুর্থাংশেরও কম অর্থ পাওয়া গেছে। গত জুনে হাইতি সফরের সময় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দেশটির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্ব যেভাবে হাইতির দিকে তাকানো বন্ধ করে দিয়েছে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। তবে ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন। পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ করেন জামায়াত প্রার্থী।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ বহাল রাখলেও ঋণসংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-২ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে গণনা শেষে সরোয়ার আলমগীর প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে তার গেজেট প্রকাশ ও শপথ দীর্ঘদিন আটকে থাকে। অবশেষে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে তার প্রার্থিতা ও নির্বাচনের ফল বৈধ ঘোষণা হলে সব আইনি জটিলতার অবসান ঘটে এবং সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়।
