আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ অঞ্চলে ড্রোন হামলায় একটি জ্বালানি স্থাপনা ও কয়েকটি গুদামে আগুন ধরে যায়। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই বোচারভ। তবে আক্রান্ত স্থাপনাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) এ ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন।
জানা গেছে, ওই অঞ্চলে জ্বালানি কোম্পানি লুকঅয়েলের মালিকানাধীন একটি তেল শোধনাগার রয়েছে। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় বোচারভ আরও জানান, হামলার পর আহত পাঁচজন চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হয়েছেন।
শীর্ষস্থানীয় অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াইল্ডবেরিজ’ টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার জেরে ভলগোগ্রাদ শহরে তাদের একটি লজিস্টিক হাবে আগুন ধরে যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।
এদিকে পার্শ্ববর্তী দক্ষিণাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলের গুকোভো শহরেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। মেসেজিং অ্যাপে দেওয়া এক বার্তায় ওই অঞ্চলের গভর্নর ইউরি স্লিউসার জানিয়েছেন, এই হামলায় এক নারী আহত হয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনাগুলোর পাশাপাশি ওয়াইল্ডবেরিজের বিভিন্ন স্থাপনাতেও হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। জ্বালানি স্থাপনায় ক্রমাগত এসব হামলার কারণে রাশিয়ার বড় একটি অংশে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবারও ওয়াইল্ডবেরিজের আরও কয়েকটি গুদামে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি এর আগে জানিয়েছিল, হামলায় যেসব বিক্রেতার পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন প্রায় এক লাখ বিক্রেতাকে তারা দ্বিতীয় কিস্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।
ইউক্রেনের শহরগুলোও বর্তমানে ক্রমাগত রুশ হামলার শিকার হচ্ছে। কিয়েভ বলছে, প্রতিবেশী দেশের এতটা ভেতরে ঢুকে হামলা চালানো তাদের একধরনের ‘দীর্ঘ পাল্লার নিষেধাজ্ঞা’ (লং-রেঞ্জ স্যাংশনস)। মূলত মস্কোর যুদ্ধ করার সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া এবং সাড়ে চার বছরের এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে রাশিয়াকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল আরাবিয়া ইংলিশ
