ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। মানবিক সহায়তা ও সংহতি প্রকাশের লক্ষ্যে যাত্রা করা এ নৌবহরে রয়েছে ৪৫টি জাহাজ। এতে অংশ নিয়েছেন অন্তত ৪০ দেশের প্রায় ৫০০ অধিকারকর্মী।
ফ্লোটিলা কর্তৃপক্ষ বুধবার এক বার্তায় জানিয়েছে, তাদের জাহাজগুলো ইতোমধ্যে অতিক্রম করেছে সেই সমুদ্রসীমা, যেখানে এর আগে পরিবেশবাদী গ্রেটা থুনবার্গসহ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে আটক করেছিল ইসরায়েল। তারা জানায়, এখন সবাই নিরাপদে আছেন এবং গাজার আরও কাছে চলে এসেছেন।
‘অবরোধ ভাঙার অঙ্গীকার’
সংগঠনটি বলেছে, গাজার ওপর ইসরায়েলের ‘অবৈধ নৌ অবরোধ’ ভাঙা এবং গাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার নতুন অঙ্গীকার নিয়ে তারা এগোচ্ছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বৈশ্বিক অসহিংস সংহতি প্রদর্শনই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
আটকানোর প্রস্তুতি
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত জানিয়েছে, নৌবাহিনী ফ্লোটিলার জাহাজগুলো আটকাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ কাজে বিশেষ বাহিনী সায়েতেত ১৩-এর সেনাদের নামানো হবে। আসোদ বন্দরে ইতিমধ্যে ৫০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য হতাহতের আশঙ্কায় বন্দরসংলগ্ন হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়, জাহাজগুলো আটক করার পর অধিকারকর্মীদের আসোদ বন্দরে নেওয়া হবে। এরপর তাঁদের কেতজিয়োত কারাগারে পাঠানো হবে। যারা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে নেবেন, তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের কারাগারেই থাকতে হবে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী জব্দ করা কিছু জাহাজ বন্দরে আনা হবে, আর বাকিগুলো ডুবিয়ে দেওয়া হতে পারে।
নতুন সংঘর্ষের শঙ্কা
ফ্লোটিলায় থাকা কর্মীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যেকোনো সময় ইসরায়েলি নৌবাহিনী হামলা চালাতে পারে। এতে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার ঝুঁকি রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
সূত্র: আলজাজিরা
এনএ/
