আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: মধ্যপ্রাচ্যকে নিরাপত্তাহীন করার জন্য মূলত এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংঘাতের সমীকরণ স্পষ্ট—‘হয় সবাই, নয়তো কেউই নয়’। খবর ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা মেহের নিউজের।
গালিবাফ বলেন, ‘যদি ইরানকে তেল রপ্তানি করতে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশও তেল রপ্তানি করতে পারবে না।’
একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এ অঞ্চলের কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।’
গালিবাফ আরও দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি না থাকলেই কেবল সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগের পরিস্থিতিতে ওই প্রণালির অবস্থা আর ফিরে যাবে না। এ বিষয়ে ইরানের অবস্থান আগেও বহুবার স্পষ্ট করা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে টানা ১১তম দিনের মতো ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় ৭টার দিকে বুশেহর অঞ্চলের একটি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।
বুশেহরের উপ-গভর্নর জানান, এদিন সেখানে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে প্রথম হামলা হয়।
বুশেহরের পর খুজেস্তান প্রদেশের আন্দিমেস্ক শহরের উপকণ্ঠেও যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ খুজেস্তানের উপ-গভর্নরের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
