যশোর-৩ আসনের সাবেক এমপি কাজী নাবিল আহমেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার নিজের এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৪৩ ব্যাংক হিসাব ও ৬২টি কম্পানিতে বিনিয়োগকৃত অর্থ অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৯ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন। পাশাপাশি ৮ কোটি ৭৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৯২ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দেন।
আবেদনে বলা হয়, আসামি কাজী নাবিল আহমেদের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসংগতিপূর্ণ ৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৪ টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখেন।
কাজী নাবিল আহমেদ এবং তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত মোট ৪৫টি হিসাবে জমা মোট ৫৪ কোটি ৯৪ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮৪ টাকা ও উত্তোলন মোট ৫৪ কোটি ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪ টাকাসহ মোট ১০৯ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৮৯ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে হস্তান্তর, স্থানান্তরের ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করেছেন। তিনি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় মামলা করা হয়েছে।
সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ জব্দ এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক। এ ছাড়া তিনি দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। এতে মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ জন্য তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
এআইএল/
