কে এই হাফেজ্জী হুজুর, কেন তাঁর নামে সড়কের নাম

by hsnalmahmud@gmail.com

আতাউল্লাহ নাবহান মামদুহ >>

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ফুলবাড়িয়া এলাকার ফিনিক্স রোডের নাম পরিবর্তন করে পুনরায় প্রখ্যাত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর নামে নামকরণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। বঙ্গবাজার মোড় থেকে গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ৫৩০ মিটার দীর্ঘ এই সড়কটি এখন থেকে ‘মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর সড়ক’ নামে পরিচিত হবে।

বিজ্ঞাপন
banner

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে সড়কটির নতুন নামফলক উন্মোচন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দা, আলেম সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর ছিলেন এ দেশের একজন খ্যাতিমান আলেম, ইসলামি চিন্তাবিদ এবং সমাজ সংস্কারে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিত্ব। তাঁর ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই সড়কের নাম পুনর্বহাল করা হয়েছে। এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের স্মরণে এই উদ্যোগ নিতে পেরে আমরা আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞ।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘হাফেজ্জী হুজুরের জীবনদর্শন ও কর্মপ্রচেষ্টা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

কে ছিলেন হাফেজ্জী হুজুর

মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী (রহ.) বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী ইসলামি আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একজন দেওবন্দি ধারার ইসলামি পণ্ডিত, সুফি সাধক এবং জীবনের শেষ বয়সে রাজনীতিতে সক্রিয় একজন ধর্মীয় নেতা। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ‘হাফেজ্জী হুজুর’ নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন।

জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি কোরআন শিক্ষা, দ্বীনি দাওয়াত, তাসাউফ ও ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যয় করেন। তবে জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং দেশের ইসলামি রাজনীতিতে একটি নতুন ধারা তৈরি করেন।

জন্ম ও শৈশব

মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর ১৮৯৫ সালে সাবেক নোয়াখালী জেলার (বর্তমানে লক্ষ্মীপুর জেলার) রায়পুর উপজেলার লুধুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল ইদ্রিস এবং মাতার নাম খাদিজা।

শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও ধর্মভীরু। গ্রামের পরিবেশেই কোরআন শিক্ষার প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় এবং ছোট বয়সে তিনি ইসলামি শিক্ষার প্রাথমিক পাঠ গ্রহণ করেন।

শিক্ষা জীবন

প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি কোরআন, ফারসি ও বাংলা ভাষার শিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষার জন্য তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের খ্যাতনামা ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন।

তিনি ভারতের মাজাহির উলূম সাহারানপুর এবং পরে দারুল উলূম দেওবন্দে অধ্যয়ন করেন। দেওবন্দে অধ্যয়নকালে তিনি ইসলামি জ্ঞানচর্চার শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছান এবং উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমদের সান্নিধ্য লাভ করেন।

বিশেষ করে তিনি তৎকালীন বিখ্যাত আলেম আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি-এর কাছ থেকে হাদিস এবং অন্যান্য শিক্ষকদের কাছ থেকে ফিকহ ও ইসলামি দর্শনের পাঠ নেন। পাশাপাশি তিনি আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য প্রসিদ্ধ সুফি ব্যক্তিত্ব আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর সান্নিধ্যও লাভ করেন এবং তাঁর খলিফা হিসেবে পরিচিত হন।

‘হাফেজ্জী’ উপাধি কীভাবে এল

ভারতের পানিপথে অবস্থানকালে তিনি কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন এবং তাজবিদে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। সে সময় তাঁর শিক্ষক তাঁকে ‘হাফেজ্জী’ বলে ডাকতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে এই নামেই তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে পুরো বাংলাদেশে তিনি হাফেজ্জী হুজুর নামেই প্রসিদ্ধ হন।

কর্মজীবন ও ইসলামি শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা

দীর্ঘ শিক্ষা জীবন শেষ করে দেশে ফিরে তিনি দ্বীনি শিক্ষার প্রসার এবং ইসলামি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।

ঢাকায় এসে তিনি দেওবন্দের আদলে বিভিন্ন মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি ইসলামি শিক্ষার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন।

প্রতিষ্ঠিত উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান

জামিয়া হোসাইনিয়া আশরাফুল উলূম (বড় কাটরা), জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া (লালবাগ), জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া (কামরাঙ্গীরচর)।

এসব প্রতিষ্ঠান কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; বরং দেশের ইসলামি জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

লালবাগ শাহী মসজিদে অবদান

হাফেজ্জী হুজুর লালবাগ শাহী মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি একটি আদর্শ হেফজখানা প্রতিষ্ঠা করেন, যার মাধ্যমে কোরআন মুখস্থ শিক্ষার আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়।

বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের বহু হেফজখানায় যে শিক্ষাপদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তা বিস্তারে হাফেজ্জী হুজুরের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে।

ধর্মীয় দাওয়াত ও আধ্যাত্মিক প্রভাব

হাফেজ্জী হুজুর ছিলেন একজন সুফি সাধক। তিনি আধ্যাত্মিক সংগঠন ও দাওয়াতি কাজেও সক্রিয় ছিলেন। তাঁর আধ্যাত্মিক শিক্ষা ও জীবনাচরণ বহু মানুষের উপর প্রভাব ফেলেছিল।

তিনি মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

রাজনীতিতে আগমন

জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন, যা সে সময় বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতিতে একটি বড় ঘটনা হিসেবে আলোচিত হয়।

বিশেষ করে ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে তৈরি পরিস্থিতিতে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।

১৯৮১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

১৯৮১ সালে তিনি নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেন। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ছিল বটগাছ।
এ নির্বাচনে তিনি তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। তবে তিনি ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাঁর এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছিল দেশের রাজনীতিতে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রতিষ্ঠা

১৯৮১ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই দল ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালায়। তিনি দলটির প্রথম আমীর ছিলেন।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা

হাফেজ্জী হুজুর সামরিক শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদ, যেখানে একাধিক রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।

তিনি এরশাদ সরকারের নীতি ও কর্মসূচির সমালোচনা করেন এবং ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ডাক দেন। এ কারণে তিনি বিভিন্ন সময় সরকারি বাধা ও দমন-পীড়নের মুখেও পড়েন।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমিকা

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর তাঁর পরিচিতি দেশের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমন্ত্রণ পান।

বিশেষ করে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একাধিক দেশে সফর করেন এবং উভয় দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়।

১৯৮৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

১৯৮৬ সালে তিনি আবারও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। সে নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একজন আলেম হয়েও রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় হওয়া ছিল সে সময় বিরল ঘটনা।

মৃত্যু

১৯৮৭ সালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ মে ১৯৮৭ সালে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরদিন জাতীয় ঈদগাহে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন। এরপর তাঁকে ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের মাদরাসায় সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কেন তাঁর নামে সড়কের নাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, হাফেজ্জী হুজুরের ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদান স্মরণীয় করে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর জীবন ও আদর্শের সঙ্গে পরিচিত করতেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের নাম তাঁর নামে পুনর্বহাল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের সময়ও নগর ভবন সংলগ্ন ফিনিক্স রোডটি হাফেজ্জী হুজুরের নামে নামকরণ করা হয়েছিল। তবে পরে তা বাতিল করা হয়। এবার আবার নতুন করে সেই নাম পুনর্বহাল করা হলো।

এদিকে বিশিষ্ট চিন্তক, সাহিত্যিক, গবেষক ইতিহাসবিদ আলেম মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলেন, দেশে প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় শতাধিক সড়ক বিভিন্ন ব্যক্তির নামে রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসব সড়কের উল্লেখযোগ্য অংশের নাম এমন ব্যক্তিদের নামে, যারা সমাজে বিতর্কিত কিংবা ইসলামি মূল্যবোধ থেকে দূরে অবস্থানকারী।

তিনি বলেন, ‘বিপরীতে ওই শহরের বিখ্যাত আট-দশজন বুজুর্গ ব্যক্তিত্ব, অলি দরবেশ, আলেম উলামা, আল্লাহওয়ালা মানুষের নাম রাস্তাঘাটে খুব কমই দেখা যায়। দেশজুড়েই এই অবস্থা। এটা চরমতম বৈষম্য এবং অশ্রদ্ধা-অসম্মানের প্রকাশ। ইতিহাসের প্রতিও এটা বেইনসাফি।’

মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ আরও বলেন, আল্লাহওয়ালা মানুষদের নাম যদি বিভিন্ন স্থাপনায় রাখা হয়, তাহলে তাঁদের জীবন ও কর্ম থেকে নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হতে পারে। এ কারণে এখন থেকেই পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলোর উচিত বিভিন্ন রাস্তাঘাটে অন্তত এক দশমাংশ নামকরণ করা আলেম-উলামা, ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও ওলি-দরবেশদের নামে।

তিনি বলেন, ‘নামফলকের পাশাপাশি যদি মহান ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবন ও কর্মের বর্ণনা যুক্ত করা হয়, তাহলে তা আরও সুন্দর হবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনেক সময় সড়কের নামকরণকে ছোট বিষয় মনে করা হলেও বাস্তবে শহরের রাস্তাঘাটের নাম ও এর পেছনের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে অনেক বিষয় পরিষ্কার হয়ে ওঠে। তাই ইতিহাস ও প্রেরণাকে সঠিক পথে প্রবাহিত করার প্রয়োজনে বিভিন্ন ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি জানানো, স্মারকলিপি দেওয়া এবং উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

স্মৃতিচিহ্ন ও উত্তরাধিকার

হাফেজ্জী হুজুরের মৃত্যুর পর তাঁর নামে দেশে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। তাঁর স্মরণে প্রতিষ্ঠিত কিছু প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে—হাফেজ্জী হুজুর সেবা সংস্থা, হাফেজ্জী হুজুর গবেষণা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন মসজিদ ও ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

এছাড়া তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণাও হয়েছে।

উপসংহার

মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) ছিলেন বাংলাদেশের এমন একজন আলেম, যিনি ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে যেমন বড় ভূমিকা রেখেছেন, তেমনি শেষ বয়সে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ইসলামি রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তৈরি করেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মনে করছে, তাঁর অবদান ও স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নাম তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে, যা নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসের সঙ্গে সংযুক্ত রাখবে।

হাআমা/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222