>>তানবিরুল হক আবিদ
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তান যদি হেরে যেত, তাহলে এশিয়া কাপে এক ম্যাচ জিতেও ফাইনালে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের জন্য। এমন সম্ভাবনায় ভর করে যারা শ্রীলঙ্কার জয়ের আশায় টেলিভিশনের সামনে বসেছিলেন, তাদের হতাশ করেছে লঙ্কান ব্যাটিং।
আবুধাবিতে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কা প্রথম বল থেকেই ধুঁকতে শুরু করে। পাকিস্তানের গতির সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৩৩ রানেই থেমে যায় তারা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার কুশল মেন্ডিসকে (০) হারায় শ্রীলঙ্কা। শর্ট মিডউইকেটে ক্যাচ বানিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২১তম বারের মতো প্রথম ওভারে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর আরও চাপে পড়ে লঙ্কান ব্যাটিং। ৮ ওভারের মধ্যে হারায় আরও ৪টি উইকেট। আফ্রিদি শেষ পর্যন্ত ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। শ্রীলঙ্কার ইনিংসে কিছুটা লড়াই করেন কামিন্দু মেন্ডিস। তিনি ৪৪ বলে তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে করেন ৫০ রান। তবে দলের অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতায় রান খুব একটা বড় হয়নি।

ভক্তদের সেলফির আবদার মেটাচ্ছেন পাকিস্তানের পেসার শাহিন আফ্রিদি। এএফপি
জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান শুরুতে বেশ সতর্ক ছিল। ৫.৩ ওভার পর্যন্ত কোনো উইকেট না হারালেও এরপর মহীশ তিকশানা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার স্পিনে এলোমেলো হয়ে পড়ে। ১২ ওভারের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। তিকশানা ও হাসারাঙ্গা দুজনেই নেন দুটি করে উইকেট। এরপর দুষ্মন্ত চামিরা তুলে নেন আরেকটি উইকেট। তবে এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি পাকিস্তানকে। হুসেইন তালাত ও মোহাম্মদ নেওয়াজ দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে সহজ জয় এনে দেন। তালাত ৩০ বলে ৪টি চারে অপরাজিত ৩২ রান করেন। নেওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে তিনটি চার ও তিনটি ছয়ের অপরাজিত ৩৮ রান। ১২ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় পায় পাকিস্তান। আর সেই সঙ্গে বাংলাদেশের ফাইনালে যাওয়ার হিসাবটা হয়ে পড়ে বেশ কঠিন।
এখন ফাইনালে উঠতে হলে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে পরবর্তী দুই ম্যাচের অন্তত একটি জিততেই হবে বাংলাদেশকে। পাশাপাশি নজর রাখতে হবে নেট রান রেট বাড়ানোর দিকেও।
টিএইচএ/
