নভেম্বরে গণভোট দাবিতে একাট্টা জামায়াতসহ ৮ দল, বিরোধিতায় বিএনপি

by hsnalmahmud@gmail.com

হাসান আল মাহমুদ >>

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হতেই দেশের রাজনীতিতে ফের নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’—অন্তর্বর্তী সরকারের রূপান্তর প্রক্রিয়ার রাজনৈতিক ও নৈতিক ভিত্তি হিসেবে পরিচিত এই সনদ ঘিরে এখন মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো।

বিজ্ঞাপন
banner

ইসলামি দলগুলো একযোগে দাবি তুলেছে, নির্বাচনের আগে এই সনদের ওপর গণভোট আয়োজনই হবে জাতীয় ঐকমত্য ও জনগণের আস্থার একমাত্র উপায়, অন্যদিকে বিএনপি বলছে—এমন উদ্যোগ কেবল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াবে।

দেশের রাজনীতিতে ১৯৭২ সালের সংবিধানের পর এটিই প্রথমবার, যখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সনদ আইনি বৈধতা পাওয়ার প্রশ্নে জাতি এভাবে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে। ইসলামি দলগুলোর মতে, গণভোট ছাড়া জুলাই সনদের ভিত্তি দুর্বল থাকবে এবং নির্বাচনের ফলাফলও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে; অপরদিকে বিএনপির দাবি, গণভোট আয়োজন ‘অযৌক্তিক, অবিবেচনাপ্রসূত ও বিভ্রান্তিকর’ পদক্ষেপ।

এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি ও জাতীয়তাবাদী দল বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনে যৌথ স্মারকলিপি জমা দিয়েছে, যেখানে নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন, সংশোধিত আরপিও বহাল রাখা এবং নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, একই দিনে বিএনপি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে—“এখন গণভোট নয়, বরং সুষ্ঠু নির্বাচনই জাতির অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”

জামায়াতে ইসলামী

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামী মনে করেছে—জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে পুরো প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোটের আয়োজন করতে হবে। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একদিনে হওয়া যাবে না।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে ২৫টি রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নিক। জামায়াত সংশোধিত আরপিও বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কোনো আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আব্দুল হালিম বলেন, ‘আজ আমরা কোনো আল্টিমেটাম দিইনি। তবে আট দলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এই স্মারকলিপির পর কয়েক দিন অপেক্ষা করে আগামী ৩ নভেম্বর জাতীয় শীর্ষ নেতারা বসে পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন, ইনশাআল্লাহ।’

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালউদ্দিন আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ নেজাম ইসলামী পার্টির মহাসচিব মুসা বিন নেজার, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান হামিদী, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

একই দিনে পিআরসহ ৫ দফা দাবীতে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের ৫ম ধাপের কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন অফিসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

স্বারকলিপিতে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদকে অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রশংসা করা হয়।

নভেম্বরে গণভোট আয়োজনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলা হয়, দেশবাসী মনে করে- গণভোট ব্যতীত জুলাই জাতীয় সনদ আইনগত টেকসই ভিত্তি পাবে না। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট সম্পন্ন করতে হবে।

পিআরের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরে বলা হয়, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল রোধ, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটি-সম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দক্ষ আইনপ্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছি।

সংশোধিত আরপিও-র পক্ষে অবস্থান জানিয়ে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনী অনুমোদন করেছে। আমরা লক্ষ্য করছি সরকার কর্তৃক সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কিছু বিষয় পরিবর্তনের জন্য একটি রাজনৈতিক দল দাবি জানিয়েছে। আমরা মনে করি এ দাবি কোনো অবস্থাতেই গ্রহণ করার সুযোগ নেই।

দলের রাজনৈতিক অবস্থান উল্লেখ করে বলা হয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ অনেক রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, আগামী নভেম্বরে গণভোট অনুষ্ঠান ও ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ৫ দফা দাবীতে আন্দোলন করে আসছে। আমাদের উত্থাপিত দাবিগুলোর প্রতি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, গবেষক ও শিক্ষাবিদসহ সচেতন নাগরিকসমাজ আন্তরিক সমর্থন জানিয়েছে। দেশের সাধরণ জনগণও এসব দাবির প্রতি ব্যাপক সমর্থন দিয়ে রাজপথে আন্দোলনে শামিল হয়েছে ।

এমতাবস্থায় দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ -এর এসব যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত গণদাবি নির্বাচন কমিশন মেনে নিবেন এবং গণ-মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের অভিযাত্রায় গতিপথ নির্বারণ করবেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দীন আহমদ-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি জমা দেয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে চলেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের আলোকে গঠিত জুলাই জাতীয় সনদকে জনগণের আত্মত্যাগের প্রতীক এবং জাতির ঐক্যের দলিল হিসেবে উল্লেখ করে এতে আইনি ও টেকসই ভিত্তি প্রদানের দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘গণভোট ব্যতীত জুলাই সনদ আইনি স্বীকৃতি পাবে না। জনগণের দাবি, আগামী নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়।’

নেতৃবৃন্দ বলেন, “জুলাই সনদ হাজার হাজার ছাত্র-জনতার রক্তে লেখা এক ঐতিহাসিক দলিল। এর বাস্তবায়ন শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, এটি জাতির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার শপথ।”

তারা অবিলম্বে গণভোট আয়োজন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ এবং দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন

একই দিনে খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী ও নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী-এর নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে স্মারকলিপি জমা দেয়।

বৈঠক শেষে সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন বলেন, ‘জুলাই সনদকে টেকসই আইনিভিত্তি দেয়ার লক্ষ্যে গণভোটের আয়োজন করতে হবে। এছাড়া জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আজকে দেশের ৮ টি রাজনৈতিক দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর যে স্মারকলিপি পেশ করেছেন এর মূল্যায়ন করা এবং দাবিসমূহ বাস্তবায়ন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব। আশাকরি দেশ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি তা করবেন।’

খেলাফত মজলিসের ১৯ দফা প্রস্তাব

খেলাফত মজলিস নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও আস্থা পুনরুদ্ধারে ১৯ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবগুলো হলো—

১. জুলাই জাতীয় সনদ- ২০২৫ বাস্তবায়ন আদেশ ঘোষণার পরপরই এ আদেশের উপর নভেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে গণভোট আয়োজন করতে হবে।
২. গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ২০ নং অনুচ্ছেদের সর্বশেষ সংশোধনী বহাল রাখতে হবে।
৩. নির্বাচনে পেশীশক্তি, কালো টাকার ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে। এ জন্যে অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রদেয় অস্ত্র জমা নিতে হবে। কালো টাকার ব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনের স্বতন্ত্র গোয়েন্দা নজরদারী ইউনিট গঠন করতে হবে।
৪. নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল বৃদ্ধি করতে হবে।
৫. নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিরপেক্ষতা সুনিশ্চিত করতে হবে।
৬. নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার দিন থেকে মাঠে সেনাবাহিনীকে সক্রীয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এবং নির্বাচনের কমপক্ষে এক সপ্তাহ পূর্বে প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে গঠিত যৌথবাহিনীর কঠোর নিরপেক্ষ অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
৭. নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণকারী ও অন্যের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮. অনলাইনে অপপ্রচার রোধে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সেল সক্রিয় থাকতে হবে।
৯. প্রবাসী বাংলাদেশীদের পোষ্টাল ব্যালটে ভোট দান পদ্ধতিতে এনআইডি অথবা পাসপোর্টের মাধ্যমে ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দিতে হবে।
১০. দেশের ভিতরে চাকুরিজীবিদের (যেমন আর্মি, পুলিশ, বিডিআর- যারা ছুটি পান না) এবং নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের পোষ্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করা। অতিবয়স্ক ও প্রতিবন্দীদের মধ্যে যিনি ইচ্ছে করবেন তিনি পোষ্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন- এ ব্যবস্থা করা।
১১. ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা যাতে অবাধে যেতে পারবেন- তা নিশ্চিত করতে হবে।
১২. নির্বাচন কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
১৩. সকল ভোট কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
১৪. ভোট কেন্দ্রে সকল প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ ও নিরাপদ অবস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
১৫. সুস্পষ্ট ছবি সহ ভোটার তালিকা পোলিং এজেন্টদেরকে যথা সময়ে সরবরাহ করতে হবে।
১৬. আগামী নির্বাচনে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ও অনুসারীদের অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
১৭. দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
১৮. মহিলা ভোটারদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ভোট কেন্দ্র থাকবে। নারী ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তা, কর্মচারী ও এজেন্টগণ হবেন নারী।
১৯. নির্বাচনের সময়ে জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রনালয়সহ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিশেষত: মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন যারা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন তাদেরকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকতে হবে।

বিএনপির বিরোধিতা

অন্যদিকে, গণভোট প্রসঙ্গে বিএনপি স্পষ্টভাবে বিরোধী অবস্থান নিয়েছে। বৃহস্পতিবার গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া সুপারিশ একপেশে এবং তা জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন অযৌক্তিক ও অবিবেচনাপ্রসূত।”

তিনি জানান, বিএনপি প্রয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দেবে।

হাআমা/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222