মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সমঝোতার পরও পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ-পরবর্তী’ হিসেবে দেখতে নারাজ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বরং তার বক্তব্যে স্পষ্ট- এটি একটি বিরতি, শেষ নয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক চুক্তিকে তিনি দেখছেন কৌশলগত পুনর্বিন্যাস হিসেবে। তার ভাষায়, এটি এমন এক পর্যায় যেখানে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যুদ্ধের ইতি টানা হয়নি।
ইসরায়েল সরকারের দাবি, সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপে ইরানে প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন, পারমাণবিক স্থাপনা এবং শিল্পভিত্তিক অবকাঠামোতে আঘাত হানার কথা উল্লেখ করেছেন নেতানিয়াহু।
তার মতে, এসব অভিযানের ফলে ইরানের সামরিক ভারসাম্য দুর্বল হয়েছে এবং সেই সুযোগেই ইসরায়েল নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করতে পেরেছে।
একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, যা বৃহত্তর নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ।
তবে সব দাবি সত্ত্বেও একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি- হুমকি পুরোপুরি শেষ হয়নি। ফলে ভবিষ্যতে আরও সামরিক বা কৌশলগত পদক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য ইঙ্গিত করছে- মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে, যেখানে শান্তির চেয়ে প্রস্তুতির বার্তাই বেশি জোরালো।
হাআমা/
