লক্ষ্মীপুরের মান্দারীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর জামায়াত-শিবিরের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ব্যানারে মান্দারী বাজারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে মিছিলটি লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও মান্দারী বাজার সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম ইউছুফ ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান লিটন, মান্দারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ।
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, গত ১৭ বছর জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কী ছিল জনগণ তা জানে। ১৯৮৬ সালে জাতীয় বেইমান হিসেবে আখ্যায়িত করে এরশাদকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। আপনারা তলেতলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেছেন। সেই ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা দেখতে পারছি। ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। আমরা আলোচনায় বসতে চেয়েছি, কিন্তু আপনার না বসে, হুমকি দিচ্ছেন, অহমিকা দেখাচ্ছেন। হুংকার দিয়ে, অহমিকা দিয়ে, আজেবাজে লেখালেখি করে ধূম্রজাল সৃষ্টি করবেন না। বিএনপি এখন অনেক সজাগ, সচেতন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ দল। ধৈর্য ধরার শক্তি আমাদের আছে। আপনারা এই ধৈর্যকে দুর্বলতা মনে করবেন না। আক্তার মেম্বারকে মারধরসহ আমাদের যে পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়া হয়েছে তার প্রতিবাদ জানাই।
এর আগে, হামলার অভিযোগ এনে দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খাঁন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রবিবার (২৪ মে) পরিবহন শ্রমিক দলের জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মান্দারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আক্তার হোসেন জামায়াত নেতা সুমনের প্রায় ৬০টি শুভেচ্ছা পেস্টুন কেটে ফেলেন। এর জের ধরে রাতে মান্দারী বাজারে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীরা বাজারে মিছিল করে। সেখান থেকে গিয়ে সুমনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও তাকে মারধর করা হয়েছে।
হাআমা/
