ঢাকার কেরানীগঞ্জে মহাসড়ক বন্ধ করে গরুর হাট ও রেস্ট হাউস গড়ে তোলার দায়ে দুটি পশুর হাটের ইজারাদারকে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া সড়ক দখলের অভিযোগে এক বাড়ির মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং এক ফল ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিকেলে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে সড়কের ওপর প্যান্ডেল তৈরি করে কোরবানির পশু রাখায় আগানগর পশুর হাটের ইজারাদার আনোয়ার হোসেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে এক ঘণ্টার মধ্যে সড়ক থেকে পশু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অপরদিকে, জনি টাওয়ার এলাকায় সড়কের ওপর প্যান্ডেল তৈরি করে পশু রাখার দায়ে জিঞ্জিরা হাটের ইজারাদার মোজাদ্দেদ আলী বাবুকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাকেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়ক খালি করার নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
ইজারাদাররা দাবি করেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাটে পানি জমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে সড়কে গরু রেখেছেন। পানি নেমে গেলে পশুগুলো হাটের ভেতরে নেওয়া হবে।
এছাড়া ৩০ ফিট সড়ক দখল করে প্যান্ডেল নির্মাণ করে পশু রাখার দায়ে এক বাড়ির মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর কারণে এক ফল ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, কদমতলী এলাকায় উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান চালালেও দখলদাররা সচেতন হচ্ছে না। হকারদের নিয়ন্ত্রণকারী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা গেলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে মনে করেন তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক বলেন, গত দুই দিন ধরে আমবাগিচা মাঠ ও জিঞ্জিরা বাজারের ইজারাদারদের সড়ক থেকে গরু সরানোর অনুরোধ করা হলেও তারা তা মানেননি। ফলে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়ক পরিষ্কার না করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
হাআমা/
