৩৬ নিউজ ডেস্ক:: সচিবালয়ে সরকারের তিন মাসের কর্মসূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সরকারের তিন মাসের কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসির রেজাল্ট আমরা ২০ জুলাই প্রকাশ করবো, সেই নির্দেশনা আমরা দিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে আমাদের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন এবং আমরা সবকিছু অ্যানাউন্স করেছি।
কারিকুলামের কারণে শিক্ষার্থীদের লার্নিং গ্যাপ থেকে যাচ্ছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রথমে হচ্ছে কারিকুলামের লার্নিং আউটকাম বেজড অন দ্য কন্টেন্ট, সেটাকেই আমরা প্রায়োরিটি দিচ্ছি এবং সেইভাবেই আমরা করছি।
আপনি আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়ার একটি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। সেটি পেছানোর একটি আলোচনায় ইঙ্গিত এ রকম শুরু হয়েছে, সে বিষয়ে আপনার একটা সুস্পষ্ট বক্তব্য যদি জানান- এ বিষয়ে তিনি বলেন, এসএসসি পরীক্ষা তাদের সিলেবাস শেষ হয়ে যাচ্ছে আগামী জুনে। আমরা চেয়েছি ২০২৭-এর কোনো একটি সময়ে, হয় রোজার আগে বা রোজার পরে নেওয়া। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেছিলাম, সেইখানে সাজেশন এসেছে যে রোজার আগেই শেষ হয়ে যাক পরীক্ষাটা।
সেই অর্থে আমরা ৭ জানুয়ারিতে শুরু করতে চেয়েছি এবং ৮ ফেব্রুয়ারিতে শেষ করতে চেয়েছি। বাট ইন দ্য মিন টাইম আপনারা রিঅ্যাক্ট করছেন, সেটা আমরা অবজার্ভ করছি। আমরা চাচ্ছিলাম যে পরীক্ষাটা হয়ে যাক এবং অনেকেই চাচ্ছে। অতএব আপাতত আমরা রুটিনও দিয়েছি, এটাই রয়েছে এবং আশা করছি এটাই থাকবে, যেহেতু স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করেছি।
মন্ত্রী বলেন, পরবর্তী সময়ে যদি আপনারা সবাই মনে করেন, এক মাস আগানো-পেছানোতে আমাদের কিছু যাবে না। কিন্তু, ২০২৭-এ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বেইজ হিসেবে ধরে নিয়ে আমরা আগামী দিনের সেশন জট এবং ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের টাইমলি তাদের কোর্স কারিকুলাম শেষ করতে হবে। অর্থাৎ থ্রি ইয়ার্স কোর্স থ্রি ইয়ার্স হবে, ফাইভ ইয়ার্স কোর্স ফাইভ ইয়ার্স হবে, কোনো রকম ডিলে, ওয়েটিং, সেশন জট চলবে না।
অ্যাট দ্য সেম টাইম আমরা ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষাও একইভাবে সিনক্রোনাইজ করার চেষ্টা করছি, যেন কোনো রকম সময় নষ্ট না হয়। আপনারা জানেন, ১২ গ্রেড পড়তে আমাদের দেশে ১৮ বছর বয়স লাগার কথা, সেটাই লেগে যাচ্ছে ২০ ইয়ার্স ওল্ড হয়ে যায়। তো ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডে আমরা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি, সেই জায়গাগুলো আমরা সুদৃষ্টি রেখেছি।
বৃত্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিলন বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা যেটা বিগত সরকারের সময় হয়নি, সেটা আমরা নিয়েছি এবং সেটার রেজাল্ট দিয়েছি। আগামীতে আমরা বৃত্তির এই যে অ্যামাউন্ট, সেটাও বাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব আমরা দিয়েছি।
হাআমা/
