যশোরের অভয়নগরে বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. ইমরান পলাতক রয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযুক্ত মো. ইমরান উপজেলার বুইকারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার পর থেকে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে ক্লাস চলাকালে শিক্ষক ইমরান কৌশলে শিশুটিকে বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এরপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনা জানার পর ঘটনাস্থল ও ভুক্তভোগী শিশুর বাড়িতে পুলিশ যায়। অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা প্রক্রিয়াধীন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু ভুক্তভোগী শিশুটিকে তার বাড়ি থেকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
