বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ এখন আর রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি সুসংগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে রূপ নিয়েছে, যারা ইসলামী মূল্যবোধ, দেশীয় সংস্কৃতি ও জনগণের মৌলিক অধিকার ধ্বংস করছে।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফ ও মাওলানা জাকির হুসাইন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই জাতিকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে চলছে দমন-পীড়ন। ফ্যাসিবাদী আচরণ করে তারা গণতন্ত্র ও জনগণের বিশ্বাসকে পদদলিত করেছে।”
তাঁরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যদি এখনই আওয়ামী লীগ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা না করা হয়, তবে ২০১৩, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে শহীদদের রক্তের সঙ্গে তা হবে চরম বিশ্বাসঘাতকতা।”
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডের প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়,
২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের গণহত্যা,
২০২১ সালের জুলাইয়ের নির্মম দমন,
কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর বারবার হামলা,
আলেম সমাজের রক্তাক্ত নিধনযজ্ঞ,
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর অবমাননাকারীদের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষকতা
— এসবই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ একটি আদর্শিক ও অস্তিত্ববাদী শত্রু, যারা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর শেকড় উপড়ে না ফেললে তারা আগের চেয়েও ভয়াবহ রূপে ফিরে আসবে। তাই এখনই সময়— আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।”
শেষে তারা ইসলামপ্রিয় জনতা, আলেম-উলামা, ছাত্র ও যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “চূড়ান্ত বিজয়ের এই মুহূর্তে আমরা যেন বিভ্রান্ত বা দুর্বল না হই। শহীদদের রক্তের আমানত রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।”
হাআমা/
