ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেছেন বাংলাদেশের ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিরা। আজ শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছে এই শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা। এর আগে খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং জোটের প্রতিনিধিরা স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় তেহরানে পৌঁছান।
বাংলাদেশ সময় পৌনে ১টায় প্রতিনিধিদলের সদস্য ও এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, তেহরানের গ্র্যান্ড মুসল্লায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা সমবেত হয়েছেন। সেখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য রাখা খামেনির মরদেহের সামনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ প্রতিনিধিদলের ১০ জন সদস্য উপস্থিত হন। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন— ড. মো. কেরামত আলী এমপি, মো. নুরুল আমীন এমপি, পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা এমপি এবং ডা. এসএম খালিদুজ্জামান। এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আগামীকাল শনিবার তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এরপর আগামী ৯ জুলাই তাঁর জন্মস্থানে দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করা এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন।
