বাংলাদেশের হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সৌদি আরবের আরোপিত হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ কমানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ ইবন ধাফের ইবন উবাইয়া।
সোমবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীর দপ্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, গতিশীল ও বহুমাত্রিকভাবে সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে বেসামরিক বিমান চলাচল, পর্যটন এবং হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বাংলাদেশের হজযাত্রীদের ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সৌদি সরকারের আরোপিত হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ হ্রাস করা হলে তা বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি হজযাত্রীর জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে উপকারী হবে। এ বিষয়ে তিনি সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য আবাসনের ক্যাটাগরি ‘ডি’ সুবিধা না থাকায় প্রতি যাত্রীর আবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তিনি বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বার্থে ক্যাটাগরি ‘ডি’ পুনর্বহালে সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়ন, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং হজের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে সৌদি সরকার আন্তরিক। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা ও উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করবেন বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজ ব্যবস্থাপনা, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
