ক্রীড়া ডেস্ক :: এমবাপে বিশ্বকাপে ৫৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। মরক্কোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ফ্রান্স সেমিফাইনাল নিশ্চিত করলেও ফরাসি ভক্তদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের মাঠ ছাড়ার দৃশ্য। বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে গোড়ালিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড, তাঁর বদলে মাঠে নামেন জঁ-ফিলিপ মাতেতা। পরে বেঞ্চে ডান পায়ে আইস প্যাক বেঁধে বসে থাকতে দেখা যায় এমবাপেকে।
তবে ম্যাচ শেষে কোটি কোটি ফরাসি সমর্থককে আশ্বস্ত করে এমবাপে নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর এই চোট গুরুতর কিছু নয়। একই সাথে ইএসপিএন-এর সূত্রও নিশ্চিত করেছে যে এমবাপের গোড়ালি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন এমবাপে। পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করে বক্সের প্রান্ত থেকে দর্শনীয় গোল করেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে তিনি লিওনেল মেসিকে ছুঁয়ে চলতি আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার (৮টি গোল) তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন। এর ঠিক ৬ মিনিট পর উসমান দেম্বেলেকে দিয়ে করিয়েছেন আরও একটি গোল। আর এই গোল ও অ্যাসিস্টের সুবাদে ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা।
এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৮টি গোল এবং ৩টি অ্যাসিস্টসহ মোট ১১টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন এমবাপে। ১৯৭০ বিশ্বকাপে জার্মানির কিংবদন্তি গার্ড ম্যুলারের (১০ গোল, ৩ অ্যাসিস্ট) পর এক বিশ্বকাপে কোনো একক খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ গোল কন্ট্রিবিউশনের রেকর্ড এটি।
১৯৬৬ সালের পর বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে পরপর দুটি বিশ্বকাপে ১০ বা তার বেশি গোলে অবদান রাখার রেকর্ড গড়লেন এমবাপে (২০২২ বিশ্বকাপে ৮ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে ৮ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট)।
