আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: পুলিশি নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ আন্দোলনকারীদের অবর্ণনীয় নিপীড়ন চালিয়েছে। সিজেপি জানিয়েছে, তাদের এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে চলবে এবং দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই ২০২৬) সংসদ ভবনের গেটে আবারও বিক্ষোভ শুরু করেছে আন্দোলনকারীরা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংসদের ভেতরেও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আন্দোলনকারীরা এই ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছে।
চলমান বিক্ষোভের কারণে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্য দিল্লির ১৭টি মেট্রো স্টেশন শুক্রবার বন্ধ থাকবে।
এর আগে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) বুধবার থেকে ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রেখেছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝান্ডেওয়ালান মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিক্ষোভের পরিস্থিতি বিবেচনা করে যাত্রীদের বিকল্প পথ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের বিধান এবং কঠোর শাস্তির প্রস্তাবসহ একটি খসড়া বিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া পোস্টে মোদি লেখেন, ‘আগামীকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।’
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গত আড়াই মাসে সরকার এই ঘটনায় একাধিক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দায়ীদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।
