জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “যারা অতীতে বাংলাদেশ শাসন করেছে, তারা দিল্লি ও লন্ডনকে তাদের সেকেন্ড হোম বানিয়েছে। দেশ লুট করে পালিয়েছে। কিন্তু এখন সময় বদলে গেছে। তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠেছে, যাদের টাকা দিয়ে কেনা যায় না— এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও পারেননি। এই তরুণরাই আগামী দিনে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।”
রোববার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায় এনসিপির এক সুশৃঙ্খল ও কর্মীবহুল সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। হাসনাত বলেন, “চট্টগ্রাম প্রতিরোধের শহর। ১৬ জুলাই ঢাকায় যেমন গণপ্রতিরোধ হয়েছে, তার আগের দিন চট্টগ্রামও দেখিয়েছে সাহস। আমরা একদা স্বৈরাচার হটিয়েছি, এবার সফল রাষ্ট্র গঠনে মনোযোগ দিতে হবে।”
তিনি চট্টগ্রামকে নিজের “দ্বিতীয় প্রাণের শহর” আখ্যা দিয়ে বলেন, “এই শহরের প্রতিটি উপজেলায় গ্রুপিং পরিহার করে এনসিপিকে শক্তিশালীভাবে গড়ে তুলতে হবে। আমরা বারবার আসব, মানুষের পাশে থাকব।”
সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমবেত হতে থাকেন। নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল এসে যোগ দেয় মূল সমাবেশস্থলে। এতে বিপুল জনসমাগম ঘটে। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য এবং সোয়াট টিম।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহমুদা বেগম জানান, “চট্টগ্রামে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়। পুলিশ প্রস্তুত ছিল, এবং শান্তিপূর্ণভাবেই সমাবেশ শেষ হয়।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
হাআমা/
