খাগড়াছড়ির মারমা কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি বলে জানিয়েছে চিকিৎসকদল। এ ঘটনায় করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষায় তিন সদস্যের চিকিৎসকদলের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খাগড়াছড়ি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় বলে জানা গেছে।
চিকিৎসকদলে ছিলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জয়া চাকমা, মেডিকেল অফিসার মীর মোশারফ হোসেন ও নাহিদা আকতার।
প্রতিবেদনে চিকিৎসকদল জানায়, ওই কিশোরীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়নি। তার শরীরে সাম্প্রতিক জোরপূর্বক যৌনক্রিয়ার কোনো চিহ্নও পাওয়া যায়নি। এছাড়া পরীক্ষার সময় তার মানসিক অবস্থাও ছিল স্বাভাবিক।
হাসপাতালের অন্যান্য সূত্র জানায়, চিকিৎসকরা সব ধরনের পরীক্ষা শেষে স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তারা ধর্ষণের কোনো আলামত পাননি।
এর আগে, খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রী ওই মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চরম মাত্রায় পৌঁছায়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরদিন ভোরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এআইএল/
