ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ১৫ বছরের এক কিশোরীকে তার স্বামীর সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে। বিচারপতি মোহাম্মদ আজম খানের লেখা ২৪ পৃষ্ঠার বিস্তারিত রায়ে বলা হয়, ইসলামী শরীয়তে কম বয়সে বিয়ে বাতিল নয়, তবে আইনের দৃষ্টিতে এটি অপরাধ।
বুধবার (১ অক্টোবর) ডেইলি জং সূত্রে জানা গেছে, মামলার আবেদনকারী মদিহা বিবি আদালতে ও ক্রাইসিস সেন্টারে দেওয়া বিবৃতিতে স্বেচ্ছায় স্বামীর সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আদালত জানায়, শরীয়তের আলোকে বাল্যসন্ধি ও সম্মতির পর বিয়ে বৈধ হলেও ইসলামাবাদ চাইল্ড মেরেজ রেসট্রেইন্ট অ্যাক্ট ২০২৫ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সে বিয়ে অপরাধ। বিয়ের কাগজপত্রে কনের বয়স প্রায় ১৮ বছর উল্লেখ থাকলেও নাদরার নথিতে তা ১৫ বছর।
রায়ে বলা হয়, বিয়ে, অপ্রাপ্তবয়স্কতা ও ফৌজদারি আইনকে সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বাধ্য করা হবে যেন ১৮ বছরের কম বয়সে কোনো বিয়ে নিবন্ধন না করা হয় এবং নাদরার সিস্টেম এমনভাবে উন্নত করতে হবে যাতে বয়স যাচাই ছাড়া নিকাহনামা ইস্যু না হয়।
আদালত জনগণকে বাল্যবিবাহের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন করতে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া রায়ের কপি আইন মন্ত্রণালয়, মানবাধিকার মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নাদরা, ইসলামী নজরিয়াতী কাউন্সিল ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ডেইলি জং।
অনুবাদ: আমিরুল ইসলাম লুকমান
এআইএল/
