চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের এক নেতাকে আটকের ঘটনায় দুপুর ১টা থেকে পাঁচলাইশ থানা ঘেরাও করে রেখেছে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুর একটা থেকে সংগঠনটির শতাধিক নেতাকর্মী থানার চারপাশে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকে।
জানা গেছে, সংগঠনটির চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানার সভাপতি মো. ইজহারকে শুক্রবার রাতে আটক করে পাঁচলাইশ থানার একটি টীম। খবর পেয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শতাধিক নেতাকর্মীরা দুপুর থেকে থানা ঘেরাও করে।
এ সময় তারা নারায়ে তাকবীর আল্লাহ আকবর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, পীর সাহেব চরমোনাই জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে সিএমপির পক্ষ থেকে পাঁচলাইশ থানার আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বিষয়টি জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনে দায়িত্বশীলরা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে রাজি হননি। তবে কয়েকজন জানিয়েছেন, মে মাসের একটি ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় ইসলামী আন্দোলনের একজন নেতাকে আসামি করা হয়। তাকে শুরু থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে ছবি দেখিয়ে ট্যাগ দেয়া হয়। গতকাল রাতেও পুলিশকে সেসব ছবি দেখিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় জড়িত নেই। মূলত ব্যবাসয়িক দ্বন্দ্বের কারণে তাকে আওয়ামী লীগ বানিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে দেয়া হয় একটি চক্রের যোগসাজশে।
এর আগে গত মে মাসে এসব বিষয়ে পুলিশের সাথে আলোচনা হয়েছে সংগঠনটির। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলাটি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়নি। পুলিশ যাচাই-বাচাই ছাড়া তাকে গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করেছে। ওসি তাদেরকে জানিয়েছেন যে ওই নেতাকে ভুল করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলায় জড়ানো হয়েছে। বিষয়টি তিনি দেখছেন।
পাঁচলাইশ থানার ওসি মোহাম্মদ সুলাইমান জানান, বিষয়টি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। পরে জানাতে পারব। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা থানা এলাকা ছেড়ে যাননি। সংগঠনটির নেতাদের একটি অংশের সাথে পুলিশের বৈঠক চলছে বলে জানা গেছে।
এআইএল/
