ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু মাইমুনা আক্তার ময়না হত্যাকাণ্ডের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও হয়নি রহস্য উদঘাটন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন, অনিশ্চয়তা ও হতাশা। এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সন্দেহজনক হিসেবে কারাগারে রয়েছে স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন।
গতকাল সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ময়না হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআইর) মো. বিল্লাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, দ্রুত রহস্য উদঘাটন করার লক্ষ্যেই কাজ করছে পিবিআই। নিহত ময়নার শরীরে একজন পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেলেও আটক ইমাম বা মুয়াজ্জিনের ডিএনএর সঙ্গে তার মিল নেই। ইতিমধ্যে আরও ২২ জনের ডিএনএ পাঠানো হয়েছে, তবে রিপোর্ট এখনো হাতে আসেনি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।
আটক ইমাম ও মুয়াজ্জিনের প্রসঙ্গে নিহত ময়নার বাবা ও মামলার বাদী প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার মামলায় সরাসরি তাদের আসামি দেখানো হয়নি। তারা নির্দোষ না-কি দোষী এটা আমি বলতে পারছি না। তদন্তে কি আসে আমরা সকলেই তার অপেক্ষায় আছি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের (৬ জুলাই) নিখোঁজের ১ দিন পর বাড়ির পাশের মসজিদের দোতলা থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু মাইমুনা আক্তার ময়নার বিবস্ত্র লাশ। ঘটনার পর থেকেই নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখার অপেক্ষায় জনতা।
এআইএল/
