মাওলানা আব্দুল মজিদ >>
এদেশে ১৫ কোটি মানুষের বিশ্বাস, অনুভূতি ও চেতনাকে বারবার আঘাতে রক্তাক্তকারী ব্যক্তি ‘সুশীল’ উপাধি পান। বিপরীতে মাত্র আবুল সরকার নামের এক ব্যক্তির সমালোচনা করলে সমালোচনাকারীকে সাম্প্রদায়িক গালির মাধ্যমে জর্জরিত করা হয়।
চৌদ্দশত বছর ধরে চলে আসা পৃথিবীর বৃহত্তম এক জনগোষ্ঠীর চিন্তা, বিশ্বাস ও আদর্শের প্রতিনিধিত্বকারী ইসলামকে আঘাত করলে তখন তিনি নারী জাতির অগ্রদূত বলে গণ্য হন।
বিপরীতে কোনো ব্যক্তি বেগম রোকেয়াকে তার চিন্তা ও বিশ্বাসের আলোকে ইসলামের সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দিলে তিনি সাম্প্রদায়িক, প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী এবং রক্ষণশীল বলে গণ্য হন!
ব্যক্তি বেগম রোকেয়ার অনুভূতির আলোকে ইসলামকে ফিল্টার নয় বরং ইসলামের আলোকে হাজারো রোকেয়ার বিশ্বাসের ফিল্টার অতীতে হয়েছে আগামীতে হবে ইনশাআল্লাহ।
কারণ, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, কোনটা সংস্কার আর কোনটা কুসংস্কার তা চিহ্নিত করার সবচেয়ে যোগ্য সত্ত্বা তিনিই। তার সিদ্ধান্তকে কোনো সৃষ্টি চ্যালেঞ্জ করতেই পারে না, আর করলে তাকে আমি ‘সংস্কার আন্দোলন’ মনে করতে পারি না।
কারণ, আমার জীবনটা এই কথিত সংস্কারকের দান নয়, বরং মহান স্রষ্টা আল্লাহর দান। ফলে আমি তার কাছেই দায়বদ্ধ। এটা আমার ঈমান, এটা আমার চেতনা, এটাই আমার চলার পথ ও পন্থা।
শিক্ষক, মিফতাহুল উলুম মাদরাসা, বাড্ডা-ঢাকা
খতিব, লৈহারটেক বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদ, বাড্ডা-ঢাকা
এআইএল/
