যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকি ও নৌবহর পাঠানোর ঘোষণার মধ্যেও ‘ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনায় বসতে প্রস্তুত ইরান—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তুরস্ক সফরকালে আঙ্কারায় তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে ইরানের নীতিগত কোনো আপত্তি নেই। তবে হুমকি বা চাপের মুখে পড়ে তেহরান কখনো আলোচনায় যাবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনোভাবেই আলোচনার বিষয় নয়। এসব ইরানের সার্বভৌম নিরাপত্তার অংশ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের দরকষাকষি হবে না। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরান যেমন আলোচনায় প্রস্তুত, তেমনি সম্ভাব্য যেকোনো যুদ্ধ মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চাপ আরও বাড়ানো হয়েছে। একই দিনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে প্রয়োজনে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের দিকে একটি শক্তিশালী নৌবহর এগিয়ে যাচ্ছে এবং সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমেই তেহরানকে চুক্তিতে ফেরানো সম্ভব হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় তেহরানের কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে—সে লক্ষ্যে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছেন।
টিএইচএ/
