ইরানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতে আকাশ ও সমুদ্রপথ থেকে ‘ব্যাপক’ হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চলমান এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের নিরাপত্তা অবকাঠামো সম্পূর্ণ অকেজো করে দেওয়া। বর্তমানে এই হামলাগুলো শুধুমাত্র ইরানের অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী (US Air Force) সরাসরি অংশগ্রহণ করছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (IDF) সাথে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে সমন্বয় সাধন করছে। তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের সাম্প্রতিক হুমকির মুখে দেশটিকে নিরস্ত্র করতেই এই বিশাল সামরিক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আজ ভোর থেকেই ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে মোতায়েন থাকা মার্কিন রণতরীগুলো থেকে ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ক্রুজ মিসাইল হামলা চালানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ‘অপারেশন শিল্ড অব জুডাহ’ ও ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র আওতায় তেহরানসহ ইরানের ১২টি প্রদেশে নজিরবিহীন বিমান হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় ইরানের ব্যালেস্টিক মিসাইল ইউনিট এবং পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রম রুখতেই এই আগ্রাসী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই ঘোষণার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের তীব্রতা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
টিএইচএ/
