পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত সংঘর্ষ ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। গত রবিবার রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বোমাবর্ষণের জবাবে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন ‘ইসলামিক ইমিরাত’-এর প্রতিরক্ষা বাহিনী। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (এমওডি) দাবি অনুযায়ী, তাদের এই প্রতিশোধমূলক হামলায় পাকিস্তানের অন্তত ৩২ জন সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১০ জন এবং ধ্বংস করা হয়েছে ৪টি পাকিস্তানি সামরিক চৌকি।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-মুখপাত্র সিদ্দিকুল্লাহ নুসরাত জানিয়েছেন, ২০৩ মনসুরি, ২০১ খালিদ বিন ওয়ালিদ এবং ২০৫ আল-বদর কর্পসের নেতৃত্বে নানগারহার, পাক্তিয়া, খোস্ত এবং কান্দাহার প্রদেশে অত্যাধুনিক লেজার অস্ত্র ব্যবহার করে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে আরও জানা গেছে, সোমবার বেলা ১১টার দিকে পাকিস্তানের কোয়েটা শহরে অবস্থিত একটি সেনা কর্পস লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বাহিনী। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে যে, তারা পাকিস্তানের দুটি সামরিক ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
অন্যদিকে, তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, রবিবার রাতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার প্রদেশের ঘানি খাইল জেলায় বেসামরিক ঘরবাড়িতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে ৪টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এক নারী নিহতসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানের এসব হামলায় এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে ৫২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৬৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে কাবুল।
সূত্র: টোলো নিউজ
টিএইচএ/
