ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তার ছেলে আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
সোমবার (৯ মার্চ) তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশটির সামরিক বাহিনী ও রেভোল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) ইতিমধেই তার প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ঘোষণা করেছে। তবে নতুন এই নেতার সামনে এখন অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।
বর্তমানে ইরান এক ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক হামলার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই হবে মুজতবা খামেনির প্রথম বড় পরীক্ষা। শুধু যুদ্ধ নয়, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার কারণে পঙ্গু হয়ে পড়া অর্থনীতি সচল করা তার নেতৃত্বের জন্য একটি বড় অন্তরায় হিসেবে দেখা দিয়েছে।
সামাজিক ক্ষেত্রেও মুজতবা খামেনিকে তীব্র মেরুকরণের মুখোমুখি হতে হবে। তার নিয়োগের পর তেহরানের এনগেলব চত্বরে সমর্থকদের ঢল নামলেও তার সমালোচকদের মঝে বিরুপ প্রতিকৃয়া লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে গত ডিসেম্বরে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবি নতুন নেতৃত্বের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
৫৬ বছর বয়সী এই নেতা এর আগে কোনো প্রশাসনিক পদে না থাকলেও পর্দার আড়াল থেকে ক্ষমতা চর্চার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
টিএইচএ/
