ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জলসীমায় অত্যাধুনিক চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তর পেন্টাগন থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এর আগে বিভিন্ন দেশের সামরিক মহড়ায় ড্রোন স্পিডবোটের পরীক্ষামূলক ব্যবহার দেখা গেলেও, কোনো চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বা সরাসরি অভিযানে এই মারণাস্ত্র মোতায়েনের ঘটনা এটিই প্রথম। পেন্টাগন জানিয়েছে, এই চালকবিহীন জলযানগুলো একই সঙ্গে নিবিড় নজরদারি এবং ‘কামিকাজি’ বা আত্মঘাতী হামলায় সক্ষম। অর্থাৎ, এই স্পিডবোটগুলো লক্ষ্যবস্তুতে প্রচণ্ড গতিতে আঘাত হানার মাধ্যমে নিজেকেসহ ধ্বংস করে দেবে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র টিম হকিন্স সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা এই বিশেষ ড্রোন স্পিডবোটগুলো তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোবাল অটোনোমাস রিকোনায়েন্সেস ক্রাফট’ বা সংক্ষেপে ‘গার্ক’। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমানে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র (Operation Epic Fury) অংশ হিসেবে এই বিধ্বংসী স্পিডবোটগুলোকে ইতোমধ্যে নথিভুক্ত করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
মূলত পারস্য উপসাগর ও সংলগ্ন জলসীমায় ইরানি নৌবাহিনীর তৎপরতা মোকাবিলা এবং মার্কিন স্বার্থ সুরক্ষায় এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন জলযানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
টিএইচএ/
