হজ নিয়ে বিড়ম্বনা-অনিয়ম মানা যায় না। যারা প্রকৃত ব্যবসায়ী তাদের কাঁধে এসে বর্তায় দুর্নাম। অসাধুরা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আদতে সরলপ্রাণ মুসলমানদের জীবনে হজ পালন একটি স্বপ্ন। এ স্বপ্ন পূরণের জন্য তারা জীবনভর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে থাকেন। এ স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য বছরের পর বছর কেউ কেউ অপেক্ষা করেন। অর্থ জমান। যারা সীমিত আয়ের মানুষ, তারা একটু একটু করে টাকা সঞ্চয় করতে থাকেন। অনেকে আবার নিজের ভিটেমাটি বিক্রি করেও হজ পালনের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন। এ মুমিন মুসলমানের হৃদয় মহান আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস, জগত সংসারের যাবতীয় পাপরাশি থেকে বাঁচতে কঠোর সংযম আর ত্যাগের মাধ্যমে হজ পরিপালনের চেষ্টা করেন। সৌদি থেকে দেশে ফেরেন অনেক নিজেকে বদলে নিয়ে। আমরা যে দিন বদলের কথা বলি, আমরা সমাজ পরিবর্তনের কথা বলি, আমরা নৈতিক আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই- তাই কিন্তু হাজিরা চর্চা করে আসেন। নিজেকে বদলে ফেলেন। হজ পরিপালন কিংবা আল্লাহর ঘর জিয়ারতকারীরা মনের দিক থাকেন অত্যন্ত নীতিবান। সুতরাং এ হাজিরা কল্যাণ রাষ্ট্রগঠনে অবদান রাখতে পারেন সবসময়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী বছর থেকে হজের খরচ আরও কমানোর চেষ্টা করবে সরকার। আশা করি, আগামী বছর যারা হজে যাবেন তাদের জন্য আরেকটু খরচ কমাতে পারব। আমরা চেষ্টা করছি আরও ভালো করার, যাতে আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের কষ্ট কম হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা জাগানিয়া বক্তব্য দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি হাজীদের কাছে গিয়ে নিজের জন্য, দেশের জন্য দোয়া চেয়েছেন।
শুক্রবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে হজযাত্রীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা আল্লাহর ঘরে যাচ্ছেন। দেশের জন্য দোয়া করবেন যাতে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। আমিও দোয়া করি আপনারা যেন সুস্বাস্থ্য নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন।
দেশের সর্বোচ্চ চেয়ারে তিনি অধিষ্ঠিত। হজযাত্রীদের কাছে গিয়ে ভালোবাসামাখা এ আবেগঘন দোয়া প্রার্থনা একটি ভালো নজির। হজ বিষয়ে আরো তৎপর ভূমিকা আশা করি তিনি গ্রহণ করবেন। হজ নিয়ে যেকোনো বিড়ম্বনা-অনিয়ম সৃষ্টিকারীদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশ্রয় দেবেন না। এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আবেগের জায়গা এ হজব্রত পালনে কোনো ঘাটতি কাম্য নয়।
হজযাত্রীদের কাছে আবেগঘন দোয়া প্রার্থনা
একটি শুভ বার্তা
7