আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর মুক্তি চাইলেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন

by hsnalmahmud@gmail.com

আমানুল্লাহ নাবিল মামদুহ :: অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিকে গ্রেফতার হওয়া আলোচিত আলেম মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর মুক্তি চেয়েছেন বিশিষ্ট প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন
banner

পোস্টে ইলিয়াস হোসাইন লেখেন, ‘কোনো মামলা ছাড়াই একজন মানুষকে আর কতদিন আটক রাখবেন? আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর মুক্তি চাই।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার বিভিন্ন ঘটনায় আলোচিত আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৯০ দিনের আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর তাকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ পাঠানো হয়।

তারপরের দিন বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি বার্তায় জানানো হয়, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধের ভিত্তিতে নরসিংদী থেকে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা সরকারের নির্বাহী আদেশ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আদেশ জারি করে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে সরকারের একটি এখতিয়ার আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা আদালতের বিষয় না, সরকারের এখতিয়ার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যখন কোনো ব্যক্তিকে সমাজ ও দেশের জন্য বিপজ্জনক মনে করে, তখন সরকার চাইলে তাকে আটক করতে পারে।’

এদিকে বিক্রমপুরীর অনুসারীরা দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাতে ভৈরব থেকে বাসে করে আসার পথে বাস থামিয়ে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়।

তবে গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা রয়েছে কি না বা ঠিক কী অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানা থেকে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আতাউর রহমান বিক্রমপুরী ‘বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক। তার গ্রেফতারের পর সংগঠনটির ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, নিরীহ মানুষকে ভিডিও ফুটেজ দেখে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পোস্টে আরও দাবি করা হয়, বিক্রমপুরী প্রথম আলোর সামনে গিয়ে ভাঙচুর করেছেন—এমন কোনো ফুটেজ দেখানো সম্ভব কি না, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটকাদেশের মতো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। মামলা ছাড়াই আটক রাখার অভিযোগ উঠলে মানবাধিকার ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। বিক্রমপুরীর গ্রেফতার এবং তার মুক্তি দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার তীব্রতা বাড়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।

হাআমা/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222