এক. মুহতামিম পদ পেয়ে খুশি না হওয়া। মুহতামিম একটি কঠিন যিম্মাদারী। এই যিম্মাদারী যথার্থভাবে আদায় করার চেষ্টা করা।
দুই. মাদ্রাসার তালিম-তারবিয়াতের উন্নতির ফিকির করা।
তিন. উস্তাযের সম্মান করা। মুল্যায়ন করা। তাদের সম্মান রেখে কথা বলা। উস্তাযদের সাথে উত্তম ব্যবহার করা।গায়রে মুনাসিব আচরণ না করা।
চার. আসাতিযায়ে কেরামের জরুরত পুরা করা। শুধু নিজের পরিবারের ফিকির করা আর উস্তাযের পরিবারের ফিকির না করা মুহতামিমের জন্য মুনাসিব নয়। উস্তাযের খোঁজ খবর নেওয়া। তাদের কষ্ট লাঘব করা।
পাঁচ. উস্তাযদের বেতন-ভাতা নিয়মিত পরিশোধ করা।সামর্থ্য থাকলে বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা। সামর্থ্য না থাকলে তাদেরকে তাসাল্লী দেয়া। মাদরাসার নির্মাণ কাজ শুরু করে উস্তাযদের বেতন-ভাতা না দেয়া, কম দেয়া ঠিক হবে না। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বেতন-ভাতা পরিশোধ না করা, এমনিভাবে বেতন বৃদ্ধি না করা ঠিক নয়।
আমি গওহারডাঙ্গা জামিয়া ও এবং মালিবাগ জামিয়ায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। সদর সাহেব হুজুর রহ: এবং কাজী মুতাসিম বিল্লাহ সাহেব রহ: এর মাঝে আসাতিযায়ে কেরামের প্রতি মুহাব্বত, দয়া এবং বেতন-ভাতা দিতে না পারলে পেরেশানীবোধ দেখেছি। তাঁরা ছিলেন প্রকৃত মুহতামিম। আদর্শ মুহতামিম।….
লেখক ও পরামর্শক : মুহতামিম,জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
