যাত্রী না নামিয়ে ফেরিতে বাস উঠালে চালকের লাইসেন্স বাতিলের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে ঈদুল আজহার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আগামী ২৮ মে দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।
সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সড়কের পাশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে সমস্ত ট্রমা সেন্টার আছে, ওগুলোকে কার্যকর করতে হবে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে সেখানে ইকুইপমেন্টসহ ডাক্তার, নার্স যা জরুরি থাকবে। নিকটবর্তী উপজেলা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতাল বা অন্যান্য হাসপাতাল যেগুলো আছে ওগুলোকে আমরা সাত দিন আগ থেকে ওয়েল প্রিপেয়ার্ড করব, যাতে কোনো রকমের যদি অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে থাকে সেটা অ্যাড্রেস করা যায় ইমিডিয়েটলি।’
তিনি বলেন, ‘আর নৌ-পরিবহনের ক্ষেত্রে যাতে ফেরিতে কোনো রকমের কোনো দুর্ঘটনা না হয়, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা যা বলে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা কিছু অনুশাসন পেয়েছি। আজকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সমস্ত ফেরিঘাটে সাইনবোর্ড দেওয়া হবে, মাইকিং করা হবে যাতে যাত্রীদেরকে নামিয়ে দিয়ে ওঠা এবং নামানো, এই দুইটা এনশিওর করা হয়। এক্ষেত্রে যদি কোনো বাস চালকের কোনো গাফিলতি থাকে তাহলে তার লাইসেন্স নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেটা বাস মালিক এবং শ্রমিক ফেডারেশনের সাথে মিটিং করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। তিনি সেখানে তাদেরকে অনুরোধ জানাবেন এটা যাতে বাস্তবায়ন করা যায়।’
মন্ত্রী আরও বলেন, আর অন্যান্য ক্ষেত্রে আমরা যাতে যথাবিহিত ব্যবস্থা নিতে পারি সেজন্য সাত দিন আগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমাদের পুলিশ হেডকোয়ার্টার একটা মনিটরিং সেল করবে। সেই মনিটরিং সেলের মাধ্যমে আমরা মহাসড়কে সার্কিট ক্যামেরা যেখানে আছে সেখান থেকে আমরা দৃশ্য পাবো। অন্যান্য ক্ষেত্রে আমরা ইনফরমেশন যাতে জেলা পর্যায় থেকে মহাসড়কের আশেপাশে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সবসময় মনিটরিং করতে পারি, ল অ্যান্ড অর্ডার যাতে আমরা কন্ট্রোল রাখতে পারি সেজন্য।’
হাআমা
