হাকিমপুর চেকপোস্টে আরও ১৭০ জনকে জড়ো করেছে বিএসএফ

by Abid vs36

৩৬নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কথিত অবৈধ অভিবাসী ইস্যুকে কেন্দ্র করে টানা এক সপ্তাহ ধরে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। তথাকথিত বাংলাদেশিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের দলে দলে সীমান্তে এনে জড়ো করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই গণ-পুশইনের ফলে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা আটক শিবিরগুলোতে বন্দির চাপ ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়ার সর্বশেষ পশ্চিমবঙ্গের হাকিমপুর সীমান্তে নতুন করে আরও ১৭০ জনকে জড়ো করা হয়েছে।

আজ শনিবার (৬ জুন) ভোররাত থেকেই সীমান্তের জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি ওই ব্যক্তিদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন
banner

বিএসএফের নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হাকিমপুর চেকপোস্টে এই ১৭০ জন কথিত বাংলাদেশিকে একত্রিত করা হয়েছে। বিএসএফ ইতিমধ্যে আটককৃত এই ব্যক্তিদের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট), ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করার কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হবে বলে বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিএসএফের একটি সূত্রের দাবি, গত এক সপ্তাহে কয়েকশ কথিত অনুপ্রবেশকারীকে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও হাকিমপুর সীমান্তে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন আরও অনেকে। সীমান্তে অপেক্ষমাণ ব্যক্তিরা নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করেছেন। তারা জানান, বিভিন্ন সময়ে দালাল চক্রের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্যমতে, অনুপ্রবেশকারীদের অনেকেই এই রাজ্যে অবস্থান করছেন। আবার কেউ কেউ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হয়েছেন। তারা ভারত সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করছেন। এমনকি কেউ কেউ জালিয়াতির মাধ্যমে ভারতের পরিচয়পত্র ও নাগরিকত্ব হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে সীমান্তে জড়ো হওয়া এই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশের বিষয়টি বিজিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশের সীমান্তজুড়ে বিজিবির তরফ থেকে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে ভারতের হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে বন্দির চাপ কমতে শুরু করার বিষয়টি স্পষ্ট। বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে থাকা শিশু, নারী ও পুরুষদের স্বাস্থ্যসেবা, খাবার এবং নিরাপত্তার বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখভাল করছে বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

টিএইচএ/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222