আমিরুল ইসলাম লুকমান >>
পাকিস্তানের বৃহত্তম কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী, দেশপ্রেমিক নাগরিক ও মাদরাসা সংশ্লিষ্ট জনগণ ভবিষ্যতেও দেশের হেফাজত ও প্রতিরক্ষায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকবে।
ভারতের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তারা বলেন, ভারত যেন আর কখনও পাকিস্তানে আগ্রাসনের দুঃসাহস না দেখায়; দেখালে আরও কঠোর জবাব পাবে।
ডেইলি ইসলাম সূত্রে (১০ মে) জানা গেছে, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের চেয়ারম্যান, বিশ্বখ্যাত ইসলামি স্কলার মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানী এবং মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ হানিফ জালন্ধরী সম্প্রতি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাহসী প্রতিরোধের জন্য জাতির প্রতি শুকরিয়ার নামাজ আদায়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
তারা বিশেষভাবে বিমানবাহিনীর সেনানীদের প্রশংসা করে বলেন, ভারতের যুদ্ধোন্মত্ততার যথার্থ এবং কড়া জবাবই ছিল একমাত্র উপায়।
কওমি বোর্ডের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অভিযানে কুরআনের আয়াত থেকে প্রেরণা নিয়ে নামকরণ করাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তারা বলেন, পাকিস্তান ইসলাম ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত দেশ এবং এই দেশের অস্তিত্ব ও অগ্রগতির জন্য কুরআন ও ইসলামের শিক্ষার অনুসরণ অপরিহার্য।
নেতারা আরও বলেন, আজকের দিনে ইসলাম, জিহাদের চেতনা ও শাহাদতের আকাঙ্ক্ষাই এমন শক্ত ভিত, যা আল্লাহর রহমতে পাকিস্তানকে তার চেয়ে অনেক বড় শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয়ী করেছে। ভবিষ্যতেও পাকিস্তানের বিজয় নির্ভর করবে এই ধর্মীয় ভিত্তির উপর।
পাশাপাশি তারা সতর্ক করে বলেন যে, যারা পাকিস্তানের ধর্মীয় পরিচিতি ধর্মনিরপেক্ষীকরণের প্রচেষ্টা চালায়, তাদের এই কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে।
পাকিস্তান বেফাকের নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশের সেনাবাহিনী একজন হাফেজে কুরআন ও মাদরাসা থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে রয়েছে, যিনি সাহসিকতার মাধ্যমে শত্রুর পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছেন।
অভিনন্দন বার্তার শেষে জাতির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ‘সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, সচেতন থাকতে হবে এবং দৃঢ়ভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাশে থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ, বিজয় হবে পাকিস্তানের ও পাকিস্তানবাসীর।’
সূত্র: ডেইলি ইসলাম।
এআইএল/
