ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক সরকারি শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রী নিজেদের তিন দিনের নবজাতককে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রেখে আসেন। আশ্চর্যজনকভাবে শিশুটি অলৌকিকভাবে বেঁচে যায়।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) ডেইলি জং সূত্রে ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক বাবলু দানদোলিয়া ও তার স্ত্রী রাজকুমারী দানদোলিয়া চতুর্থ সন্তানের জন্মের পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাদের আশঙ্কা ছিল, দুইয়ের বেশি সন্তান থাকায় সরকারি চাকরি হারাতে হতে পারে। এই ভয়ে তারা নবজাতককে হত্যার চেষ্টা করেন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজকুমারী ঘরে শিশুটির জন্ম দেন। কয়েক ঘণ্টা পরই দম্পতি শিশুটিকে জঙ্গলে ফেলে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে যান। পরদিন সকালে স্থানীয়রা কান্নার শব্দ শুনে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুর শরীরে পিঁপড়ার কামড়ের দাগ রয়েছে এবং সে হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিরাপদ আছে। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে নবজাতকের বেঁচে যাওয়া এক অলৌকিক ঘটনা।
এ ঘটনায় পুলিশ শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে জীবন্ত অবস্থায় সন্তানকে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেছে। পাশাপাশি মামলায় হত্যাচেষ্টার ধারা যুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনা করছে পুলিশ।
সূত্র: ডেইলি জং।
অনুবাদ: আমিরুল ইসলাম লুকমান
এআইএল/
