ডেস্ক রিপোর্ট:
উত্তরাঞ্চলের শেষ জেলা তেঁতুলিয়ায় বুধবার সকাল ৬ টার দিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৯ টার দিকে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল মঙ্গলবার তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ। ফলে সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। জেলার মাঠ-ঘাট, গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে শহরের রাস্তাঘাটও সাদা কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে যায়। দৃশ্যমানতা কয়েক হাত দূরে নেমে আসায় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকবে চারপাশ। কোথাও কোথাও দিনের বেলাও কুয়াশা দেখা যেতে পারে। কারণ বাতাসে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে। এর ফলে সূর্যের আলো ভূপৃষ্ঠে ঠিক ভাবে পৌঁছায় না, ফলে রাতে দ্রুত ঠান্ডা পড়ে এবং ভোরে ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হয়। এ ধরনের আবহাওয়া সাধারণত শীত ও গ্রীষ্মের সন্ধিক্ষণে দেখা যায়। তবে এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে জলবায়ুর পরিবর্তন।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “বর্তমানে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমছে। নভেম্বরের শেষ দিকে একাধিক মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এরপর ডিসেম্বর জুড়ে পঞ্চগড় ও আশপাশের এলাকায় একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” হঠাৎ করে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় শীত জনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্করা আক্রান্ত হতে শুরু করেছে।
এমএআর/
