বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন শুরু করেছে ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন শুরু করেছে ইরান বলে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। এ সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন’র এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র বলছে, এ পর্যন্ত মাইন বসানো হয়েছে খুব সীমিত পরিমাণে। তবে ইরানের হাতে এখনো ৮০–৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র যুদ্ধযান ও মাইন স্থাপনকারী জাহাজ অক্ষত রয়েছে, ফলে চাইলে তারা প্রণালিতে সদ শতাধিক মাইন স্থাপন করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত এমন দুটি সূত্র জানিয়েছে, মাইন বসানোর কাজ এখনও খুব বিস্তৃত নয়। গত কয়েক দিনে গুটিকয়েক মাইন বসানো হয়েছে। তবে একটি সূত্র বলেছে, ইরানের হাতে এখনও ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র যুদ্ধযান ও মাইন স্থাপনকারী জাহাজ অক্ষত রয়েছে। ফলে দেশটি চাইলে এ জলপথে কয়েকশ মাইন ছড়িয়ে দিতে পারে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বর্তমানে দেশের নৌবাহিনীর পাশাপাশি প্রণালির নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের বিচ্ছিন্নভাবে মাইন স্থাপনকারী যান, বিস্ফোরক বোঝাই নৌকা ও উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ব্যবহার করার সক্ষমতা রয়েছে।
মঙ্গলবার নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো মাইন বসিয়ে থাকে— যদিও আমাদের কাছে এমন কোনো নিশ্চিত খবর নেই। তবে আমরা চাই সেগুলো অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়া হোক।’
ট্রাম্প আরও বলেন, যদি মাইন বসানো হয়ে থাকে এবং সেগুলো সরানো না হয়, তবে ইরানকে ‘নজিরবিহীন’ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। তবে তেহরান যদি বসানো মাইনগুলো সরিয়ে নেয়, তা হবে ‘সঠিক পথে এক বিশাল পদক্ষেপ’।
হাআমা/
