বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের কৃষিকে উর্বর করতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজেই কোদাল হাতে তুলে নিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। বর্তমান পৃথিবীতে পানির সরবরাহ ও প্রবাহ ঠিক রাখতে না পারলে মানবসভ্যতা বিপদের সম্মুখীন হবে। সেই কথা বিবেচনায় রেখেই জনস্বার্থে এক মাসের মাথায় এই খাল খনন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ব স্বীকৃত আন্তঃনদী অধিকার থেকেও যাতে আমরা বঞ্চিত না হই সে বিষয়ে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সীমান্তের ওপর বাঁধ দিয়ে জলপ্রবাহ বন্ধ করে রাখা হলে লবণাক্ততার কারণে বাংলাদেশের ভূমির উর্বরতা নষ্ট হবে। তাই জলের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা আমাদের জন্য অতিব গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে মহিষাখালী খাল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল (এমপি) বলেন, কৃষকের জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করেই বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে এই খনন কাজ শুরু হয়েছে। এটি কোনো লোক দেখানো কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের প্রকৃত কল্যাণে আসবে। আগামী বর্ষার আগেই কৃষকরা এই খালের শতভাগ সুফল ভোগ করতে পারবেন। আমরা পূর্বের সরকারের সমালোচনায় বিশ্বাসী নই, বরং জনগণের জন্য ভালো কিছু করতে চাই। দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে উদ্বোধনী দিনে মনোহরদীর মহিষাখালী খালের খনন কাজ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে জেলার ২৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
নরসিংদীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এ মুহাইমিন আল জিহান-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী এবং নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বকুল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
টিএইচএ/
