চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে ডিজেল-জেট ফুয়েল

by Abid

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়ছে। সর্বশেষ সিঙ্গাপুর থেকে ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে ‘গ্রান কুভা’ নামের একটি জাহাজ বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

রোববার (২৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় আসা এই জাহাজটি বর্তমানে কুতুবদিয়া অ্যাংকরেজে অবস্থান করছে।

বিজ্ঞাপন
banner

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে চলতি মার্চ মাসে মোট ১৭টি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে আটটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে এবং আরও ছয়টি জাহাজ বর্তমানে পথে রয়েছে। এছাড়া ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে আসা একটি জাহাজ গত বুধবার বন্দরের বহির্নোঙরে ভিড়েছে। পাশাপাশি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি এলএনজি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার আসার পথে রয়েছে। এই তিনটি ট্যাংকারে মোট প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি দেশে আসছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে এলএনজি আমদানির একটি বড় অংশ কাতার থেকে এলেও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাতার থেকে কিছু চালান না আসায় পেট্রোবাংলা বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত সাতটি এলএনজি ট্যাংকার দেশে এসেছে, যদিও সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১১টি ট্যাংকার আসার কথা থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল আমদানি নিয়ে। দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে ক্রুড অয়েলের মজুত কমে যাওয়ায় পরিশোধন প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

টিএইচএ/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222