আন্তর্জাতিক চা দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ‘জাতীয় চা দিবস’ পালনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে ৪ জুনের পরিবর্তে প্রতি বছর ২১ মে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন বা পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘জাতীয় চা দিবস’ এর তারিখ সংশোধনের প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মূলত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক রীতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ২১ মে তারিখটিকে ‘আন্তর্জাতিক চা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। বিশ্বজুড়ে চায়ের গুরুত্ব এবং এর উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িতদের অধিকার রক্ষার সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিকভাবে ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন, কেনিয়া ও ভিয়েতনামের মতো বিশ্বের শীর্ষ চা উৎপাদনকারী দেশগুলোও ২১ মে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালন করে থাকে। বাংলাদেশও বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চা উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করছে। তাই আন্তর্জাতিক বাজার এবং শীর্ষ দেশগুলোর সঙ্গে সংহতি রেখে বাংলাদেশেও ৪ জুনের পরিবর্তে ২১ মে ‘জাতীয় চা দিবস’ পালনের লক্ষ্যে বিদ্যমান পরিপত্র সংশোধনের প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের একই দিনে বাংলাদেশেও চা শিল্পের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
টিএইচএ/
