স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ, মামলা দায়ের

by naymurbd1999@gmail.com

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার শংকরবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ধারায় মামলটি দায়ের করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন
banner

রাতে তিনিই বিষয়টি নিশ্চিত করে সাইফুল ইসলাম বলেন, গত ২২ তারিখ ‘স্কুল ফিডিং প্রকল্পের’ খাবার খেয়ে সদর উপজেলার শংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালেয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পরিপ্রেক্ষিতে নিম্নমানের ও বাসি পচা খাবার সরবরাহ করার কারণে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিস্কুট বিপণি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে মেসার্স বিস্কুট বিপণির মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন মোবাইল ফোনে জানান, গাক এনজিও মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২১৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৯ হাজার ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর জন্য আমরা বনরুটি সরবরাহ করে থাকি। এই প্রকল্পের শুরু থেকেই আমরা এর সঙ্গে জড়িত আছি। কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। তবে গত ২২ তারিখে একটি বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

গাক এনজিও উপর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেটাতেও আমাদের কোনো দোষ নেই। কারণ ছাত্রদের মাঝে শনি, রবি, সোম, বুধ ও বৃহস্পতিবার বনরুটি সরবরাহ করা হয়। কিন্ত গাক এনজিকে সোমবার (২০ এপ্রিল) এর জন্য বনরুটি রোববার (১৯ এপ্রিল) সরবারহ করা হয়েছিল। সেখান থেকে এক কার্টুন বনরুটি বেঁচে যায়। মঙ্গলবার স্কুলে বনরুটি সরবরাহ করা হয়নি। সেই রুটি তারা বুধবার (২২ এপ্রিল) সরবরাহ করে, তার মধ্যে একটি স্কুলে আগের ১৯ এপ্রিলের বনরুটি সরবরাহ করা হয়। সেই বনরুটি খেয়েই ছাত্ররা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এতে আমাদের কী করার। এছাড়া আমরা সব সময় স্কুল কর্তৃপক্ষকে বলি আপনারা ডেট দেখে বনরুটি গ্রহণ করবেন। একদিন আগের ডেটের বনরুটি নেবেন, তাছাড়া নেবেন না। সেদিন (২২ এপ্রিল) বনরুটি নেওয়ার বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষেরও গাফলতি রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাছাড়া গাক এনজিও গোডাউন মান সম্মত নয়। এজন্য ইতোমধ্যে তাদেরকে জরিমানাও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, বিএসটিআইসহ খাবার উৎপাদনের সব কিছু ঠিক আছে। আপনারা এসে দেখে যেতে পারেন। আমাদের তৈরিকৃত বনরুটি যেকোনো জায়গায় পরীক্ষা করেও দেখতে পারেন। আমাদের পণ্যের মান ঠিক আছে। এছাড়া আমরা চাই না এই প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে যাক। কারণ এই প্রজেক্টের মাধ্যমে অনেক বাচ্চা টিফিন পাচ্ছে।

এনআর/

এ জাতীয় আরো সংবাদ

প্রকাশক: আবু সায়েম খালেদ
পরিচালক: এইচ. এম. মুহিউদ্দিন খান
আসকান টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা, ১৭৪ ধোলাইপাড়
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪
ইমেইল: info@36news24.com
ফোন: 01401 400222