আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে দুটি আসনের ১৫টি কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ চলছে শনিবার (২ মে)।
ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিমের ১৫টি কেন্দ্রে শনিবার সকাল ৭টা থেকে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। খবর এনডিটিভির।
সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচনে প্রায় ৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চার ঘণ্টায় ভোটের হার ৩৬.৯৯ শতাংশ। মগরাহাট পশ্চিমে ভোট পড়েছে ৩৮.২ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবারে ৩৫.৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এদিকে, সকাল ৯টা পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাটের বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনে ১৬.২৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। মগরাহাটের ১১টি বুথে ভোটের হার ১৬.৬৮ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ভোটের হার ১৫.৮৩ শতাংশ।
ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিমের ১৫টি কেন্দ্রে আজ শনিবার (২ মে) নতুন করে ভোটগ্রহণ চলছে। খবর এনডিটিভির।
সকাল থেকেই পুনর্নির্বাচনের বুথগুলির সামনে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। দু’দিন আগে যে ভোট দিয়েছেন, তা বাতিল হয়ে গিয়েছে।
ভোটাররা জানান, নির্বাচন কমিশনের কর্মী ও প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুক্রবার রাতেই তাদের খবর দিয়েছেন, ফের ভোট হবে। তবে ভোট দিতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শুক্রবার জানিয়েছে, মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি কেন্দ্রে এবং ডায়মন্ড হারবারের চারটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোট হবে।
শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টায় ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাটের বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনে ১৬.২৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। মগরাহাটের ১১টি বুথে ভোটের হার ১৬.৬৮ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ভোটের হার ১৫.৮৩ শতাংশ।
পশ্চিবঙ্গের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা এক বিবৃতিতে বলেছেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসারে গত ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নিয়ে মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের দায়িত্বরত অফিসারদের কাছ থেকে নেতিবাচক রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
সেই সব রিপোর্ট এবং সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ওই কেন্দ্রগুলোর নির্দিষ্ট কিছু বুথের ভোট বাতিল করা হয়েছে। ওই বুথগুলোতে ২ মে নতুন করে ভোট নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেছেন, আমি আরও জানাচ্ছি যে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঢোল পিটিয়ে এই পুনর্নির্বাচনের খবরটি ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে।
সেই সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদেরও লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, ওই নির্দিষ্ট তারিখে নতুন করে ভোট নেওয়া হচ্ছে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোটগ্রহণ হয়। এতে প্রায় ছয় কোটি মানুষ ভোট দিয়েছেন। তবে দুটি আসনের ১৫টি কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় আবারও ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
